রাজশাহী মহানগরীর বোয়ালিয়া থানা পুলিশের অভিযানে ২৩টি শর্টগানের কার্তুজ ও ৪৯টি ইফিডিন ইনজেকশনসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সোমবার (১২ অক্টোবর) রাত ১০টার দিকে কুমারপাড়া এলাকায় এক ব্যক্তির বসতবাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন, কুমারপাড়া গ্রামের ফয়সাল (১৯), একই গ্রামের যুবরাজ (৩০) এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার বালিয়াদিঘী গ্রামের সুলতান মাহমুদ (৩৬)। ফয়সাল মৃত বাবুর ছেলে, যুবরাজ সোনা মিয়া ওরফে আবুল হায়াতের ছেলে এবং সুলতান মাহমুদ একরামুল হকের ছেলে।
পুলিশ জানায়, অভিযানের সময় ফয়সালের বসতঘরে তল্লাশি চালিয়ে ২৩টি শর্টগানের কার্তুজ ও ৪৯টি ইফিডিন ইনজেকশন উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা পলাতক আসামি বিএলের (৩০) সহায়তায় এসব আলামত সংগ্রহ করে নিজেদের হেফাজতে রেখেছিলেন বলে জানা গেছে।
পলাতক বিএলের বাড়ি চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার গোলাপবাজার গ্রামে।
এ ঘটনায় গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইন ও অস্ত্র আইনে বোয়ালিয়া থানায় মামলা করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। পাশাপাশি পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন, কুমারপাড়া গ্রামের ফয়সাল (১৯), একই গ্রামের যুবরাজ (৩০) এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার বালিয়াদিঘী গ্রামের সুলতান মাহমুদ (৩৬)। ফয়সাল মৃত বাবুর ছেলে, যুবরাজ সোনা মিয়া ওরফে আবুল হায়াতের ছেলে এবং সুলতান মাহমুদ একরামুল হকের ছেলে।
পুলিশ জানায়, অভিযানের সময় ফয়সালের বসতঘরে তল্লাশি চালিয়ে ২৩টি শর্টগানের কার্তুজ ও ৪৯টি ইফিডিন ইনজেকশন উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা পলাতক আসামি বিএলের (৩০) সহায়তায় এসব আলামত সংগ্রহ করে নিজেদের হেফাজতে রেখেছিলেন বলে জানা গেছে।
পলাতক বিএলের বাড়ি চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার গোলাপবাজার গ্রামে।
এ ঘটনায় গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইন ও অস্ত্র আইনে বোয়ালিয়া থানায় মামলা করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। পাশাপাশি পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
মোঃ মাসুদ রানা রাব্বানী :